Tue 6 Apr 2010 8:23 PM BdST
rtnn ঢাকা,০৬ এপ্রিল(আরটিএনএনডটনেট)-- রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের আঁতাত ভাঙা না গেলে দুর্নীতি দমন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদুক) চেয়ারম্যান গোলাম রহমান। বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো দুর্নীতি না করার অঙ্গীকার করলেও বাস্তবে তা কার্যকরের ইচ্ছা তাদের নেই।
সমাজ ও রাষ্ট্রের মাথা হলো রাজনীতি। রাজনীতিতে পচন ধরায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়াতনে ‘দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ, বর্তমান বাস্তবতা ও নাগরিক উদ্বেগ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় দুদক চেয়ারম্যান এসব মন্তব্য করে আরো বলেন, এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী কিংবা বিরোধী দলীয় নেতার সদিচ্ছার কোন অভাব নেই। কিন্তু তা কার্যকর করার মনোবৃত্তি তাদের নেই।
গোলটেবিল আলোচনার মূল প্রবন্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য যথাযথ আইনি কাঠামো, কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্র্রতিরোধ- এই তিনটি বিষয়ের পাশাপাশি রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
দুদুক চেয়ারম্যান বলেন, রাজনৈতিক দল পরিচালনা ও নির্বাচন পদ্ধতির কারণেই রাজনীতিবিদরা দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন।
তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের নির্বাচন করতে গেলে অফিস করতে, খাওয়া খরচ, যাতায়াত খরচ, পকেট মানি, গুণ্ডা-পাণ্ডা পালতে টাকার দরকার যা ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের কাছ থেকে নিয়ে থাকেন।
গোলাম রহমান অভিযোগ করেন, ব্যাবসায়ী ও শিল্পপতিদরে ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর নির্ভরশীলতার কারণে দুর্নীতি ঠেকানো যাচ্ছে না।
দুর্নীতি দমন অঙ্গীকার কার্যকরী করার মনোবৃত্তি নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এজন্য একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা, সঠিক ও কার্যকরী আইন এবং বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা নিরসন করা অত্যন্ত জরুরি।’
গোলটেবিল আলোচনায় আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য মহীউদ্দিন খান আলমগীরকে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান করায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন পরিবেশবিদ বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, এ পদে যার সততা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই তাকেই দেয়া উচিত ছিলো।
এছাড়া বদিউল আলম বিগত জোট সরকারের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও চিফ হুইপের দুর্নীতির প্রতিবেদন সংসদীয় কমিটির কাছে পেশ করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ার সমালোচনা করেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত এ গোলটেবিল আলোচনায় সুজন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ, টিআইবি চেয়ারম্যান হাফিজউদ্দিন খান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এএসএম শাহজাহান, কলামিস্ট আবুল মকসুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
http://rtnn.net/details.php?id=23382&p=1&s=3
Tuesday, 6 April 2010
Saturday, 3 April 2010
কোটালীপাড়ায় ১৯৪ যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ : অনেকেই আ’লীগ কমিটিতে রয়েছেন
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ১৯৪ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল কোটালীপাড়ার মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ থেকে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। এ তালিকায় কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদে বহাল নেতাকর্মীদের নাম রয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির শীর্ষ পদে ’৭১-এর সশস্ত্র রাজাকার রয়েছে। তাদের নাম রাজাকারের তালিকায়ও রয়েছে। এসব রাজাকারকে দল থেকে বহিষ্কার ও বিচার করতে হবে।
যুদ্ধাপরাধ মামলায় ১ জন রিমান্ডে
গোপালগঞ্জে যুদ্ধাপরাধ মামলায় জয়নাল মল্লিক (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গোপালগঞ্জ থানা পুলিশ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দীলিপ কুমার ভৌমিকের আদালতে এ সংক্রান্ত মামলার আসামি জয়নালকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেছিলেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ১০ জুলাই সদর উপজেলার নখড়ীরচর গ্রামের চান মাওলানা ওরফে কোমর উদ্দিন, জয়নাল মল্লিক ও পার্শ্ববর্তী পারকুশলী গ্রামের রেজাউল মাওলানার নেতৃত্বে ২০/২৫ জন লোক নখড়ীরচর গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের বাড়িতে এসে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। একপর্যায়ে তারা আবদুর রাজ্জাককে নৌকায় করে ধরে নিয়ে গোপালগঞ্জের বধ্যভূমিতে গুলি করে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা খলিলুর রহমান শেখ গত বছর ১৭ জুলাই গোপালগঞ্জ সদর থানায় ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করেন (মামলা নং-১৩, তাং ১৭.০৭.০৯)।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/02/25484
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ১৯৪ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল কোটালীপাড়ার মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ থেকে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। এ তালিকায় কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদে বহাল নেতাকর্মীদের নাম রয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির শীর্ষ পদে ’৭১-এর সশস্ত্র রাজাকার রয়েছে। তাদের নাম রাজাকারের তালিকায়ও রয়েছে। এসব রাজাকারকে দল থেকে বহিষ্কার ও বিচার করতে হবে।
যুদ্ধাপরাধ মামলায় ১ জন রিমান্ডে
গোপালগঞ্জে যুদ্ধাপরাধ মামলায় জয়নাল মল্লিক (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গোপালগঞ্জ থানা পুলিশ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দীলিপ কুমার ভৌমিকের আদালতে এ সংক্রান্ত মামলার আসামি জয়নালকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেছিলেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ১০ জুলাই সদর উপজেলার নখড়ীরচর গ্রামের চান মাওলানা ওরফে কোমর উদ্দিন, জয়নাল মল্লিক ও পার্শ্ববর্তী পারকুশলী গ্রামের রেজাউল মাওলানার নেতৃত্বে ২০/২৫ জন লোক নখড়ীরচর গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের বাড়িতে এসে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। একপর্যায়ে তারা আবদুর রাজ্জাককে নৌকায় করে ধরে নিয়ে গোপালগঞ্জের বধ্যভূমিতে গুলি করে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা খলিলুর রহমান শেখ গত বছর ১৭ জুলাই গোপালগঞ্জ সদর থানায় ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করেন (মামলা নং-১৩, তাং ১৭.০৭.০৯)।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/02/25484
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে বিএনপির আপত্তি

Fri 2 Apr 2010 5:26 PM BdST
rtnn ঢাকা, ০২ এপ্রিল (আরটিএনএন ডটনেট)-- একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারে সম্প্রতি সরকারের গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে বিএনপি। বলেছে, সরকার ‘যুদ্ধাপরাধ’ বিচার থেকে সরেই যদি আসে তাহলে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রচলিত আদালতেই সম্ভব।
শুক্রবার নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আপত্তির কথা জানিয়ে দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন যুদ্ধাপরাধ বিচারের নামে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা হলে বিএনপি বসে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ার দেন।
এ সময় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সারোয়ারী রহমান, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, সহ-দপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি এ মতামত দিলো।
একাত্তরে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বিচারে গত ২৫ মার্চ তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল, সাত সদস্যের তদন্তকারী প্যানেল ও ১২ সদস্যের আইনজীবী প্যানেলের নাম ঘোষণা করে সরকার।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার যুদ্ধাপরাধীর বিচার থেকে সরে এসে এখন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের কথা বলছে। হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও অপহরণের মতো অপরাধের বিচার ফৌজদারি কার্যবিধিতেই সম্ভব। এজন্য কোনো বিশেষ আদালত, ট্রাইব্যুনাল কিংবা তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই।’
তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার থেকে সরে গিয়ে সরকার এখন মানবতাবিরোধীদের বিচার করবে। আচরণের এই দ্বৈততা থেকে সহজেই সরকারের মতলব বোঝা যায়। আসলে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্যই সরকার যুদ্ধাপরাধ বিচারের অস্ত্র প্রয়োগ করছে।
কাউকে হত্যা করতে গেলে আক্রান্ত ব্যক্তি কখনোই বসে বসে দেখে না মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, আঘাত এলে আমরাও বসে থাকবো না।
সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, পানি, বিদ্যুত ও গ্যাস সংকট থেকে মানুষের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সরকার ’৭১-এর মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিচারের নামে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন রেখে দেলোয়ার বলেন, সরকার আসলেই যুদ্ধাপরাধের বিচার করবে, না দ্রব্যমূল্য, বিদ্যুত, গ্যাস-পানি সংকট এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে বিক্ষুব্ধ মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে সরিয়ে নিতে চায়?
তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধাপরাধ বিচারে গঠিত ট্রাইবুনালের তদন্ত কর্মকর্তা, আইনজীবী ও বিচারক নিরপেক্ষ নন। কারণ এই প্যানেলের ব্যক্তিরাই আলোচিত ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময়ও ছিলেন এবং তারা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুগত।
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযুক্তদের বিচারে বিএনপির আপত্তি নেই বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।
এরআগে সকালে জাতীয়তাবদী মহিলা দলের নবগঠিত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপি মহাসচিব দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আরটিএনএন ডটনেট/আইএইচ/এমআই_ ১৫১৯ ঘ.
http://rtnn.net/details.php?id=23223&p=1&s=1
রারিতে বোমা তৈরির সময় ৫ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আহত
রারিতে বোমা তৈরির সময় ৫ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আহত : শাস্তি দাবি করেছেন সেক্রেটারি
রাজশাহী অফিস
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণে সভাপতি আউয়াল কবির জয়সহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে বঙ্গবন্ধু হলের ২৩৩ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের রাতেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ছাত্রলীগ এটাকে বলছে কয়েলের আগুনে মশারিতে অগ্নিকাণ্ড। তবে সেক্রেটারি অপু গ্রুপ এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে।
বিস্ফোরিত বোমার আঘাতে আহতরা হলেন—ছাত্রলীগ সভাপতি আউয়াল কবির জয়, ব্যবস্থাপনা বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মী সোহেল, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছাত্রলীগ কর্মী রনি, জনি এবং মামুন। জানা গেছে, বোমা বিস্ফোরণে তাদের হাত এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ঝলসে গেছে।
বঙ্গবন্ধু হলের সাধারণ শিক্ষার্থী এবং গার্ডরা জানায়, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে হলের ২৩৩ কক্ষ থেকে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের পরপরই ছাত্রলীগ সভাপতি জয়সহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী আহত অবস্থায় হল গেটে নেমে আসেন। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে চিকিত্সার জন্য দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। এদিকে বিষয়টি গোয়েন্দা ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে জানাজানি হলেও বিষয়টি ছাত্রলীগ গোপন রাখার চেষ্টা করে। তবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে খোঁজ নিয়ে রেজিস্টার খাতায় আউয়াল কবির জয়, রনি, সোহেল, জনি ও মামুনের নাম পাওয়া যায়। হলগুলোতে শিবিরের অনুপস্থিতিতে এ বিস্ফোরণের ব্যাপারে ছাত্রলীগের অন্য গ্রুপের নেতারা জানান, সভাপতি গ্রুপ হলগুলোতে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতেই অস্ত্রের ভাণ্ডার গড়ে তুলেছে। সভাপতি গ্রুপের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবহিত থাকলেও নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে তারা অভিযোগ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বঙ্গবন্ধু হলের এক আবাসিক ছাত্র বলেন, এখন আমরা আতঙ্কের প্রহর গুনছি।
বিষয়টি নিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি আউয়াল কবির জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বোমা বিস্ফোরণের কথা অস্বীকার করে বলেন, কয়েল থেকে মশারিতে আগুন লেগে যাওয়ায় তিনিসহ কয়েকজন আহত হন। রাবি প্রক্টর ড. চৌধুরী মুহাম্মদ জাকারিয়াও বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে বলেন, কয়েল থেকে ২৩৩ নম্বর কক্ষে আগুন লেগেছিল বলে তিনি শুনেছেন। তবে তিনি কয়েকজন আহত হওয়ার কথা স্বীকার করেন। কয়েলের আগুনে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ হয় কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
এদিকে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাকে সেক্রেটারি গ্রুপকে কোণঠাসা করতে ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাবি শাখা ছাত্রলীগ সেক্রেটারি মাজেদুল ইসলাম অপু। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, সভাপতি নিজে বঙ্গবন্ধু হলের শিক্ষার্থী নন। তিনি আমির আলী হলের সংযুক্ত ছাত্র। অথচ তিনি সেক্রেটারি গ্রুপকে প্রতিহত করার জন্য তার গ্রুপের নেতাকর্মীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রত্যেক হলে সেক্রেটারি গ্রুপকে কোণঠাসা করার জন্য ছাত্রলীগ সভাপতি নিজে বোমা বানাতে সহায়তা করছেন।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ তাত্ক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধান এবং আলামত সংগ্রহের পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে কে বা কারা ওই কক্ষে বোমা রেখেছে, তা তদন্তসাপেক্ষে বিচারের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হবে।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/01/25341
রাজশাহী অফিস
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণে সভাপতি আউয়াল কবির জয়সহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে বঙ্গবন্ধু হলের ২৩৩ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের রাতেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ছাত্রলীগ এটাকে বলছে কয়েলের আগুনে মশারিতে অগ্নিকাণ্ড। তবে সেক্রেটারি অপু গ্রুপ এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে।
বিস্ফোরিত বোমার আঘাতে আহতরা হলেন—ছাত্রলীগ সভাপতি আউয়াল কবির জয়, ব্যবস্থাপনা বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মী সোহেল, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছাত্রলীগ কর্মী রনি, জনি এবং মামুন। জানা গেছে, বোমা বিস্ফোরণে তাদের হাত এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ঝলসে গেছে।
বঙ্গবন্ধু হলের সাধারণ শিক্ষার্থী এবং গার্ডরা জানায়, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে হলের ২৩৩ কক্ষ থেকে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের পরপরই ছাত্রলীগ সভাপতি জয়সহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী আহত অবস্থায় হল গেটে নেমে আসেন। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে চিকিত্সার জন্য দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। এদিকে বিষয়টি গোয়েন্দা ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে জানাজানি হলেও বিষয়টি ছাত্রলীগ গোপন রাখার চেষ্টা করে। তবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে খোঁজ নিয়ে রেজিস্টার খাতায় আউয়াল কবির জয়, রনি, সোহেল, জনি ও মামুনের নাম পাওয়া যায়। হলগুলোতে শিবিরের অনুপস্থিতিতে এ বিস্ফোরণের ব্যাপারে ছাত্রলীগের অন্য গ্রুপের নেতারা জানান, সভাপতি গ্রুপ হলগুলোতে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতেই অস্ত্রের ভাণ্ডার গড়ে তুলেছে। সভাপতি গ্রুপের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবহিত থাকলেও নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে তারা অভিযোগ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বঙ্গবন্ধু হলের এক আবাসিক ছাত্র বলেন, এখন আমরা আতঙ্কের প্রহর গুনছি।
বিষয়টি নিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি আউয়াল কবির জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বোমা বিস্ফোরণের কথা অস্বীকার করে বলেন, কয়েল থেকে মশারিতে আগুন লেগে যাওয়ায় তিনিসহ কয়েকজন আহত হন। রাবি প্রক্টর ড. চৌধুরী মুহাম্মদ জাকারিয়াও বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে বলেন, কয়েল থেকে ২৩৩ নম্বর কক্ষে আগুন লেগেছিল বলে তিনি শুনেছেন। তবে তিনি কয়েকজন আহত হওয়ার কথা স্বীকার করেন। কয়েলের আগুনে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ হয় কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
এদিকে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাকে সেক্রেটারি গ্রুপকে কোণঠাসা করতে ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাবি শাখা ছাত্রলীগ সেক্রেটারি মাজেদুল ইসলাম অপু। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, সভাপতি নিজে বঙ্গবন্ধু হলের শিক্ষার্থী নন। তিনি আমির আলী হলের সংযুক্ত ছাত্র। অথচ তিনি সেক্রেটারি গ্রুপকে প্রতিহত করার জন্য তার গ্রুপের নেতাকর্মীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রত্যেক হলে সেক্রেটারি গ্রুপকে কোণঠাসা করার জন্য ছাত্রলীগ সভাপতি নিজে বোমা বানাতে সহায়তা করছেন।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ তাত্ক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধান এবং আলামত সংগ্রহের পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে কে বা কারা ওই কক্ষে বোমা রেখেছে, তা তদন্তসাপেক্ষে বিচারের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হবে।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/01/25341
Thursday, 1 April 2010
দুদকের ক্ষমতা খর্বে প্রস্তাবিত আইন প্রত্যাহারের আবেদন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের
Manobzamin | Friday, 02 April 2010
কূটনৈতিক রিপোর্টার: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ড়্গমতা খর্ব না করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডবিস্নউ)। বুধবার নিউ ইয়র্কে সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের উচিত দুদকের ক্ষমতা বা সামর্থ্য খর্ব করার জন্য আইনের সংশোধনীগুলো প্রত্যাহার করা।
এতে দুদক দুর্র্নীতিগ্রসত্ম সরকারি কর্মকর্তাদের বিরম্নদ্ধে স্বাধীনভাবে সিদ্ধানত্ম নিতে পারবে না। এটা শাসক দলের লোকজনের ড়্গেত্রেও প্রযোজ্য হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি বিধির জন্য দুদক আইনকে পর্যালোচনা করতে ২০০৯ সালে ক্যাবিনেট কমিটি গঠন করা হয়। এতে দুর্নীতির সন্দেহে সরকারি কর্মকর্তা ও সংসদ সদস্যদের বিরম্নদ্ধে আইন ব্যবস্থা গ্রহণের সরকারের অনুমতি দেয়ার দরকার পড়বে। বিবৃতিতে এইচআরডবিস্নউ-এর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্রাড এডামস বলেন, সরকারি খাতে দুর্নীতি বাংলাদেশের একটি গুরম্নত্বপূর্ণ সমস্যা। এতে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়। এটা আইনের শাসনকে দুর্বল করে দেয় এবং পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠানের সংস্কার উদ্যোগকে ব্যাহত করে। তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনা থেকে ঠেকাতে আইন তৈরি করা হলে এটাই পরিষ্কার হয়, সরকার দুর্নীতির বিরম্নদ্ধে লড়াইয়ে আনত্মরিক নয়। গত ২৪শে মার্চ আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরম্নল ইসলামের ঘোষণার কথা উলেস্নখ করা হয়। তিনি মার্চের পরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা মামলা প্রত্যাহারে কোন আবেদন আর নেয়া হবে না বলে জানান। সরকারের নিরীড়্গা কমিটি এ পর্যনত্ম ওসব আবেদন পরীড়্গা করে ৪৪১৩টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে- যার মধ্যে ২২৩টি মামলা দুদকের দায়ের করা। এ প্রসঙ্গে ব্রাড এডামস বলেন, বাংলাদেশে যারাই ড়্গমতায় আসেন তারাই রাজনৈতিক প্রতিপড়্গকে দুর্বল করতে আইনকে নিয়মিত ব্যবহার করেছেন। এর পরিবর্তন দরকার। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের এটা নিশ্চিত করা জরম্নরি যে, তার দলের সদস্যদের পড়্গপাতিত্ব করা হচ্ছে এমন যেন মনে না হয়। বেআইনি যে কোন পরিবর্তনের শিকড় উপড়ে ফেলার দায়িত্ব বিচার বিভাগের ওপরই ছেড়ে দেয়া উচিত। বৃটিশ ঔপনিবেশিক আমলের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৭ ধারা বহাল থাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিরম্নদ্ধে অভিযোগ থাকলেও সরকারের অনুমতি ছাড়া কোন ব্যবস্থা নেয়া যায় না। এতে ওই কর্মকর্তা সরকারি দায়িত্বের কথা বলে অপরাধের দায় এড়িয়ে যেতে পারেন। ১৯৭ ধারা এবং এ ধরনের বিধির কারণে বাংলাদেশে দায়মুক্তির সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এর কারণেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মানবতা লঙ্ঘন ও নির্যাতন করেও কোন শাসিত্ম ছাড়াই রেহাই পাচ্ছেন। ব্রাড এডামস বলেন, দুদকের ড়্গমতা খর্ব করার আইন না করে সরকারের উচিত ১৯৭ ধারা এবং এর মতো অন্যান্য আইন তুলে নেয়া। এগুলো সরকারি কর্মকর্তাদের আইনের উপরে স্থান দিয়েছে।
http://www.mzamin.com/index.php?option=com_content&task=view&id=10012&Itemid=83
কূটনৈতিক রিপোর্টার: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ড়্গমতা খর্ব না করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডবিস্নউ)। বুধবার নিউ ইয়র্কে সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের উচিত দুদকের ক্ষমতা বা সামর্থ্য খর্ব করার জন্য আইনের সংশোধনীগুলো প্রত্যাহার করা।
এতে দুদক দুর্র্নীতিগ্রসত্ম সরকারি কর্মকর্তাদের বিরম্নদ্ধে স্বাধীনভাবে সিদ্ধানত্ম নিতে পারবে না। এটা শাসক দলের লোকজনের ড়্গেত্রেও প্রযোজ্য হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি বিধির জন্য দুদক আইনকে পর্যালোচনা করতে ২০০৯ সালে ক্যাবিনেট কমিটি গঠন করা হয়। এতে দুর্নীতির সন্দেহে সরকারি কর্মকর্তা ও সংসদ সদস্যদের বিরম্নদ্ধে আইন ব্যবস্থা গ্রহণের সরকারের অনুমতি দেয়ার দরকার পড়বে। বিবৃতিতে এইচআরডবিস্নউ-এর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্রাড এডামস বলেন, সরকারি খাতে দুর্নীতি বাংলাদেশের একটি গুরম্নত্বপূর্ণ সমস্যা। এতে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়। এটা আইনের শাসনকে দুর্বল করে দেয় এবং পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠানের সংস্কার উদ্যোগকে ব্যাহত করে। তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনা থেকে ঠেকাতে আইন তৈরি করা হলে এটাই পরিষ্কার হয়, সরকার দুর্নীতির বিরম্নদ্ধে লড়াইয়ে আনত্মরিক নয়। গত ২৪শে মার্চ আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরম্নল ইসলামের ঘোষণার কথা উলেস্নখ করা হয়। তিনি মার্চের পরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা মামলা প্রত্যাহারে কোন আবেদন আর নেয়া হবে না বলে জানান। সরকারের নিরীড়্গা কমিটি এ পর্যনত্ম ওসব আবেদন পরীড়্গা করে ৪৪১৩টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে- যার মধ্যে ২২৩টি মামলা দুদকের দায়ের করা। এ প্রসঙ্গে ব্রাড এডামস বলেন, বাংলাদেশে যারাই ড়্গমতায় আসেন তারাই রাজনৈতিক প্রতিপড়্গকে দুর্বল করতে আইনকে নিয়মিত ব্যবহার করেছেন। এর পরিবর্তন দরকার। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের এটা নিশ্চিত করা জরম্নরি যে, তার দলের সদস্যদের পড়্গপাতিত্ব করা হচ্ছে এমন যেন মনে না হয়। বেআইনি যে কোন পরিবর্তনের শিকড় উপড়ে ফেলার দায়িত্ব বিচার বিভাগের ওপরই ছেড়ে দেয়া উচিত। বৃটিশ ঔপনিবেশিক আমলের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৭ ধারা বহাল থাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিরম্নদ্ধে অভিযোগ থাকলেও সরকারের অনুমতি ছাড়া কোন ব্যবস্থা নেয়া যায় না। এতে ওই কর্মকর্তা সরকারি দায়িত্বের কথা বলে অপরাধের দায় এড়িয়ে যেতে পারেন। ১৯৭ ধারা এবং এ ধরনের বিধির কারণে বাংলাদেশে দায়মুক্তির সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এর কারণেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মানবতা লঙ্ঘন ও নির্যাতন করেও কোন শাসিত্ম ছাড়াই রেহাই পাচ্ছেন। ব্রাড এডামস বলেন, দুদকের ড়্গমতা খর্ব করার আইন না করে সরকারের উচিত ১৯৭ ধারা এবং এর মতো অন্যান্য আইন তুলে নেয়া। এগুলো সরকারি কর্মকর্তাদের আইনের উপরে স্থান দিয়েছে।
http://www.mzamin.com/index.php?option=com_content&task=view&id=10012&Itemid=83
রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুষ্ঠান শুরু : আলেমদের প্রতিবাদ
স্টাফ রিপোর্টার
অর্থমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক অনুষ্ঠান কোরআন তিলাওয়াতের পরিবর্তে রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে শুরু করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা। তারা এসব ইসলামবিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
শীর্ষস্থানীয় উলামা : এক বিবৃতিতে শীর্ষস্থানীয় উলামা বলেন, কোরআন তিলাওয়াতের পরিবর্তে রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করে তারা বাংলাদেশকে ধর্মহীন রাষ্ট্র বানাতে চায়। এদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিবৃতিদাতারা হলেন—জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি শায়খ আবদুল মোমেন, মাসিক মদীনা সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দিন খান, খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আহমদুল্লাহ আশরাফ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, আন্তর্জাতিক তাহফিজে খতমে নবুওয়াত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নুরুল ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, ফরায়েজি আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা আবদুল্লাহ মোঃ হাসান, আহকামে শরিয়াহ হেফাজত কমিটির উপদেষ্টা মাওলানা যাইনুল আবেদীন, শর্ষিনার ছোটো পীর মাওলানা শাহ আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী, আইম্মাহ পরিষদ সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানি প্রমুখ।
ফতোয়া বোর্ড : জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের আলেমরা অপর এক বিবৃতিতে বলেন, কোরআন তিলাওয়াতের পরিবর্তে রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করে বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের এদেশে যারা এ ধরনের কার্যক্রম করছে তারা তৌহিদী জনতার শত্রু।
বিবৃতিদাতারা হলেন—অধ্যাপক ড. মাওলানা আবদুস সালাম মাদানী, অধ্যাপক মাওলানা রফীকুর রহমান মাদানী, মুফতি ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, মুফতি সিকান্দার আলী মাদানী, মুফতি তরিকুল ইসলাম মাদানী, মুফতি মাওলানা লুত্ফর রহমান মাদানী, মুফতি নুরুল্লাহ মাদানী, মুফতি মোহাম্মদ ইউসুফ মাদানী প্রমুখ।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/02/25492
অর্থমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক অনুষ্ঠান কোরআন তিলাওয়াতের পরিবর্তে রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে শুরু করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা। তারা এসব ইসলামবিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
শীর্ষস্থানীয় উলামা : এক বিবৃতিতে শীর্ষস্থানীয় উলামা বলেন, কোরআন তিলাওয়াতের পরিবর্তে রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করে তারা বাংলাদেশকে ধর্মহীন রাষ্ট্র বানাতে চায়। এদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিবৃতিদাতারা হলেন—জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি শায়খ আবদুল মোমেন, মাসিক মদীনা সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দিন খান, খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আহমদুল্লাহ আশরাফ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, আন্তর্জাতিক তাহফিজে খতমে নবুওয়াত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নুরুল ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, ফরায়েজি আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা আবদুল্লাহ মোঃ হাসান, আহকামে শরিয়াহ হেফাজত কমিটির উপদেষ্টা মাওলানা যাইনুল আবেদীন, শর্ষিনার ছোটো পীর মাওলানা শাহ আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী, আইম্মাহ পরিষদ সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানি প্রমুখ।
ফতোয়া বোর্ড : জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের আলেমরা অপর এক বিবৃতিতে বলেন, কোরআন তিলাওয়াতের পরিবর্তে রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করে বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের এদেশে যারা এ ধরনের কার্যক্রম করছে তারা তৌহিদী জনতার শত্রু।
বিবৃতিদাতারা হলেন—অধ্যাপক ড. মাওলানা আবদুস সালাম মাদানী, অধ্যাপক মাওলানা রফীকুর রহমান মাদানী, মুফতি ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, মুফতি সিকান্দার আলী মাদানী, মুফতি তরিকুল ইসলাম মাদানী, মুফতি মাওলানা লুত্ফর রহমান মাদানী, মুফতি নুরুল্লাহ মাদানী, মুফতি মোহাম্মদ ইউসুফ মাদানী প্রমুখ।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/02/25492
বিএনপির এমপি শাম্মির ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলায় দেলোয়ারের প্রতিবাদ
বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন হবিগঞ্জের আমরোড বাজারে বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে শাম্মি আক্তার এমপির ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বিএনপির সভা পণ্ড করারও নিন্দা জানান।
এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, হবিগঞ্জ জেলায় আমরোড বাজারে পূর্ব নির্ধারিত বিএনপির সমাবেশে পুলিশ প্রহরায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে হামলা করে। এতে এমপি শাম্মি আক্তারসহ বহু বিএনপি নেতাকর্মী আহত হন। এদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা হালিম আলমগীর, যুবদল নেতা সাইফুল, খালেদ ও মতিন মারাত্মকভাবে আহত হন। তিনি বলেন, বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার তাদের একদলীয় বাকশাল শাসন কায়েম করার জন্য বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বানচাল করে বর্বর রাজনৈতিক আচরণ করছে। মহাসচিব বলেন, দেশে যখন বিদ্যুত্, গ্যাস, পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অভাবে জনজীবন বিপর্যস্ত, আওয়ামী সিন্ডিকেটের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে, তখন সরকার যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীদের দ্বারা হত্যা, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখল ইত্যাদির মাধ্যমে জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে ফেরাতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার মানুষের জানমালের ন্যূনতম নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব দেশব্যাপী সন্ত্রাসী তাণ্ডবে তীব্র নিন্দা জানিয়ে এমপি শাম্মি আক্তারসহ যুবদল, ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জোর দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তি
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/02/25512
এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, হবিগঞ্জ জেলায় আমরোড বাজারে পূর্ব নির্ধারিত বিএনপির সমাবেশে পুলিশ প্রহরায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে হামলা করে। এতে এমপি শাম্মি আক্তারসহ বহু বিএনপি নেতাকর্মী আহত হন। এদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা হালিম আলমগীর, যুবদল নেতা সাইফুল, খালেদ ও মতিন মারাত্মকভাবে আহত হন। তিনি বলেন, বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার তাদের একদলীয় বাকশাল শাসন কায়েম করার জন্য বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বানচাল করে বর্বর রাজনৈতিক আচরণ করছে। মহাসচিব বলেন, দেশে যখন বিদ্যুত্, গ্যাস, পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অভাবে জনজীবন বিপর্যস্ত, আওয়ামী সিন্ডিকেটের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে, তখন সরকার যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীদের দ্বারা হত্যা, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখল ইত্যাদির মাধ্যমে জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে ফেরাতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার মানুষের জানমালের ন্যূনতম নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব দেশব্যাপী সন্ত্রাসী তাণ্ডবে তীব্র নিন্দা জানিয়ে এমপি শাম্মি আক্তারসহ যুবদল, ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জোর দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তি
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/02/25512
Subscribe to:
Posts (Atom)